প্রবৃদ্ধিতে এগিয়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ

২৯ এপ্রিল, ২০২৩ ১৮:১০  

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে দেশে সক্রিয় মোবাইল সিম সংখ্যা ৩০ লাখ এবং ইন্টারনেট সংযোগ বেড়েছে ২০ লাখ।  মোট ১৮ কোটি ৮ লাখ গ্রাহক নিয়ে নতুন বছর শুরু করলেও মার্চে সক্রিয় মোবাইল সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে   ১৮ কোটি ৩৮ লাখ। ফেব্রুয়ারিতে এই সংখ্যা ছিলো ১৮ কোটি ২৬ লাখ।

একইভাবে ইন্টারনেট মোট ইন্টারনেট গ্রাহক বৃদ্ধিতে মার্চ শেষ মোট গ্রাহক সংখ্যা পৌঁছেছে ১২ কোটি ৬১ লাখে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে এই সংখ্যা ছিলো ১২ কোটি ৪০ লাখ ও ১২ কোটি ৫০ লাখ। প্রথম দুই মাসে ১০ লাখ করে নতুন ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়লেও মার্চে এই সংখ্যা দ্বিগুণ বাড়ে। ওই মাসেই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট গ্রাহকও বেড়েছে ব্রডব্যান্ডে। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ১ কোটি ১৮ লাখ থাকলেও। মার্চে  এসে তা বেড়েছে ২০ লাখ।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হালনাগ গ্রাহক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে এখন মোবাইলে ইন্টারনেট গ্রাহক ১১ কোটি ৪০ লাখের বেশি এবং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গ্রাহক ১ কোটি ২০ লাখের বেশি।  প্রতি মাসেই নিয়মিত বাড়ছে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক। জানুয়ারিতে ১১ কোটি ২২ লাখ সংযোগ থাকলেও মার্চে এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১ কোটি ৪০ লাখ। অর্থাৎ তিন মাস অন্তর বেড়েছে ১৮ লাখের মতো।  তবে ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চে বেড়েছে মাত্র ৮ লাখ।

বিটিআরসির তথ্য বলছে, গত বছরের জুলাইয়ে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৭৫ লাখের কিছু বেশি। এর পর থেকে তা কমতে শুরু করে। বিশেষ করে মোবাইলফোন ইন্টারনেটের গ্রাহক উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে থাকে।

দেশে গত তিন মাসে মোবাইলফোনের গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধিতে বিটিআরসির সর্বশেষ তথ্য বলছে, গ্রামীণফোনের গ্রাহক ৮ কোটি ৩ লাখ, রবির ৫ কোটি ৫৫ লাখ, বাংলালিংকের ৪ কোটি ১৩ লাখ ও টেলিটকের ৬৬ লাখ। টেলিটক বাদে বাকি তিন অপারেটরেরই গ্রাহকের সংখ্যা বেড়েছে।

গত বছরের জুনে দেশে মোবাইলফোন গ্রাহক ছিলেন ১৮ কোটি ৪৪ লাখ। সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিটিআরসি ওই বছরের ২৯ জুন গ্রামীণফোনের সিম বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এ নিষেধাজ্ঞার ফলে অপারেটরটির প্রতিদিন ৪০ হাজারের মতো সিম বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া তারা ৩৫ লাখের মতো গ্রাহক হারায়। গ্রামীণফোনের সিম বিক্রির নিষেধাজ্ঞার ফলে সর্বমোট তাদের গ্রাহকের সংখ্যাও কমে যায়। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।